আমীরে মো’আবিয়া (রাদীয়াল্লাহু আনহু’র)

24 02 2014

আমীরে মো’আবিয়া রাদীয়াল্লাহু আনহু’র প্রতি বিরুপ মন্তব্য ,গালি গুলুজ,সাহাবী নয় প্রভুতি ধারনা পোষন কারীর প্রতি ওলামায়ে কেরাম গনের মন্তব্য –

আমীরে মোআবিয়া’র শানে গুস্তাখ বা বিরুপ মন্তব্য কারি প্রসঙ্গে সকল ওলামা যেমন ওলামায়ে সলফ(পুর্বের),ওলামায়ে খলফ(পরের),আরব,মিসর তথা সমগ্র আরব বিশ্বের ওলামা’য়ে কেরাম ফতোয়া দিয়েছেন যে ‘গুস্তাখ রা অবশ্যই ইসলাম বর্হিভুত তাদের জন্য শাস্তি অপরিহার্য’ তাদের কে মজলিস হতে বিতারিত করা প্রয়োজন।

নিম্নে বিভিন্ন ওলামায়ে কেরামদের মন্তব্য তুলে ধরা হলঃ-

১**ইবনে আসাকির ‘তারিখে দামাস্ক’কেতাবের ৫৯ খন্ডের ২১১ পৃষ্ঠায়,আজ রা ‘কেতাবু-শ শরীয়া’৫ম খন্ড ২৪৬৭ পৃষ্ঠায়

. فقال : على أولئك الذين يلعنون لعنة الله يشتمون يلعنون معاوية قيل للحسن : يا أبا سعيد , إن ههنا قوماً

হযরত হাসান কে বলা হল যে হে আবু সাইদ একদল লোক রয়েছে যারা হযরত মো’আবিয়া কে গালিগুলুজ করে ও অভিশাপ দেয়,তখন হযরত হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু বল্লেন যারা এরুপ করে তাদের উপর আল্লাহর লানাত বর্ষিত হয়।

২**ইবনে আসাকির ‘তারিখে দামাস্ক’এর ৫৯ খন্ড ২১১ পৃষ্ঠায় বর্ণনা করেছেন ‘আব্দুল্লাহ বিন মোবারক ব লেছেন আমাদের মধ্যে যদি কেউ আমীরে মো’আবিয়া র দিকে বক্র ভাবে তাকাই অথবা কু-কথা বলি তা হলে অব্যশই সাহাবার শানে বে আদবী করা হবে,আর সাহাবাদের শানে যারা গুস্তাখি করল তারা জাহান্নামী।

৩**কাজী আইয়াদ ‘আশ শেফা ফি হুকুকিল মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলায় হে অ সাল্লাম’২য় খন্ড ৪৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন

« قال مالك رحمه من شتم أحداً من أصحاب النبي أبا بكر أو عمر أو عثمان أو علي أو معاوية

أو عمرو بن العاص فإن قال : كانوا على ضلال وكفر

হযরত মালিক এর মতে যদি কেহ সাহাবী’য়ে রসুলদের মধ্যে, যেমন হয রত আবুবকর,হযরত ওমর,হযরত ওসমান,হযরত আলি,হযরত মো’আবিয়া ও ওমর বিন আস প্রমুখদের গালি দেয় ,সে গোমরাহ ও কুফরের মধ্যে।

৪**ইবনে আসাকির ‘তারিখ দামাস্ক’৫৯ খন্ড ২১১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন ‘মুহাম্মদ বিন মুসলিম তিনি ইব্রাহিম বিন মসিরাহ হতে শুনেছেন-আমি হযরত ওমর বিন আব্দুল আযীয কে দেখেছি তিনি বেতের প্রহার এক মাত্র তাদের কেই করতেন যারা হযরত মো’আবিয়া রাদিয়াল্লাহুর শানে বে’আদবী করত।

৫**খেলাল ‘আস-সুন্নাহ’২য় খন্ড ৪৩৪ ও ৬৫৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন আবি আব্দুল্লাহ’কে জিজ্ঞাসা করা হল ওই সকল লোকেদের সর্ম্পকে যারা বলে ‘আমরা মো’আবিয়া কে কাতিবে ওহী ও মোমিনের মামা

বলে মানি না,প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন هذا قول سوء رديء ، يجانبون هؤلاء القوم ولا يجالسون .এটা খুবই খারাপ ধারনা,এই সকল লোকেদের বিতারিত করা ও এদেরকে বয়কট অপরিহার্য।

৬**ইমাম নেসাপুরী’র ‘ফি মাসাইলে ইবনে হানি আন-নেসাপুরি’১ম খন্ড৬০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন যারা আমীরে মো’আবিয়ার শানে কটু কথা বলে لا يصلى خلفه ولا كرامة না তাদের পিছুনে নামায জায়েয না তাদের প্রতি সন্মান প্রদর্শন

৭**ইবনে তইমিয়ার ‘মজমুউল ফাতোয়া’৩৫ খন্ড৫৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে,যারা হযরত মো’আবিয়ার প্রতি লানত এর ধারনা রাখে তাদের প্রতি রায় প্রসঙ্গে ইবনে তইমিয়াকে জিজ্ঞাসা করা হলে প্রত্যুত্তরে বলেন

যারা সাহাবাদের মধ্যে কোন একজন কে যেমন মো’আবিয়া বিন আবু সুফিয়ান,ওমর বিন আস প্রমুখদের গালী দিল فإنه يستحق للعقوبة البليغة باتفاق أئمة الدين অবশ্যই সে শাস্তির যোগ্য ।আর এটাই হল সকল ওলামাদের রায়।

৮** ‘আস সুন্নাহ’২য় খন্ড৪৪৮পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে ‘হযরত আব্দুল্লা কে কোন এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন হে আব্দুল্লাহ আমার এক মামা আছে যে হযরত মো’আবিয়ার শানে গুস্তাখি করে,তার সহিত কি খাওয়া দাওয়া চলবে প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন তার সহিত খাওয়া দাওয়া করা হারাম।

এ সকল ছাড়াও আর ও বহু পুস্তক যেমন الإستيعاب 671, البداية والنهاية 8/139, طبقات الحنابلة 1/285 প্রভুতিতে ও অনুরুপ উক্তি করা হয়েছে।

উপরি উক্ত আলোচনার দারা পরিষ্কার হযরত মো’আবিয়া রাদিয়াল্লাহু শানে গুস্তাখী শরীয়ত বিরোধী কাজ।

অতএব ওই সকল ভাইদের প্রতি যারা হযরত মো’আবিয়ার প্রতি কু-মন্তব্য করেন কর জোড়ে আবেদন তারা যেন এরুপ হতে বিরত থাকেন এবং তওবা করেন।

এ প্রসঙ্গে আরও তথ্য পেতে visit করুন http://www.amir moavia.com,এছাড়াও পড়ুন আমার লিখিত‘হাদিসের আলোকে আমীরে মো’আবিয়া’

 

যুব আহ লে সুন্নাত অল জামায়তের পক্ষ হতে মুফতি মোহাক্কিক মোহাম্মাদ নুরুল আরেফিন রেজবী সাকাফী আল-আযহারী

(M.A,RESERCH AL-AZHAR UNIVERSITY.CAIRO,EGYPT)

CONTACT:+9732030031,+7797542960

e-mail:quaziarefin@yahoo.com

 

Advertisements




রবিউল আউয়াল মুবারক

13 01 2012

mawlid.gif  কুরআন হাদিসের আলোকে ঈদে মিলাদুন্নবী

  ফাযায়েলে মিলাদুন্নবী (দঃ)

জশনে জুলুছ

মক্কা শরিফে মিলাদ মাহফিল

মদিনা শরিফে মিলাদ মাহফিল

কবিতা/গজল – ছবছে আওলা ও আ’লা হামারা নবী





মিলাদ ও কিয়ামের বিধান

13 01 2012
 
 

মিলাদ ও কিয়ামের ইতিহাস

 

 

তাওহিদ সম্মেলন ও রিছালত সম্মেলন

যুগে যুগে মিলাদুন্নবী (দঃ) মাহফিল পালন/উদযাপন করা  হয়।বিভিন্ন ধরণে বিভিন্ন রকমে, যুগে যুগে  মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষ্যে বৈশিষ্ট ইবাদত করা হয়।





মসজিদে নব্বীতে মিলাদ মাহফিল

20 12 2009





তারাবিহ্’র নামাজ ৮ রাকাত না ২০ রাকাত

23 08 2009

অনেক লোকদের থেকে প্রায় সময় শুনতে পাওয়া যায় যে, মক্কা ও মদীনা শরিফে মিলাদ নেই, মক্কা ও মদীনা শরিফে শবে বরাত নেই তাহলে আমরা করবো কেন..?। ইত্যাদি। আবার রমযান মাসে তারা বলে যে তারাবিহ নামাজ ৮ রাকাত ২০ রাকাত নয়। এই লোকেরা স্পষ্ঠভাবে জানে যে, মক্কা ও মদীনা শরিফে তারাবিহ নামাজ ২০ রাকাত পড়া হয়, ৮ রাকাত নয়। যাই হউক, মক্কা ও মদিনা শরিফ আমাদের দলিল নয় তারা শুধু একটি হাদিস যেঠা তারা ভুল বুঝিয়ে তাদের গুমরাহি মতামত প্রচার করতে চায় এবং আমিরুল মুমিনিন হযরত উমর (রাঃ)র আমল নিয়ে কুতুক্তি করে থাকে.নাউজুবিল্লাহএরা ফিতনাবাজ গুমরাহ ছাড়া আর কিছুই নেই। তারাবিহ নামাজ কত রাকাত..? এখানে দেখুনpdf





আল্লাহর মাস (রজব) একটি বিপ্লবী মাস

23 06 2009

পবিত্র রজব মাস আল্লাহর মাস নামে খ্যাত। এমাসেই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহ্ পাক অতি নিকটে নিয়ে চাক্ষুস দীদার দান করে ধন্য করেছেন। অন্য কোন স্রিষ্টিকে আল্লাহ পাক এমন দুর্লভ সাক্ষাৎ দান করেন নি।……..বাকি অংশ এবং খাজা গরিব নেওয়াজ (রাঃ)’র সংক্ষিপ্ত জিবনী, এখানে পড়ুনpdf 

 

 





গাউছুল আযম শায়খ আব্দুল কাদির জিলানী (রাঃ)

7 04 2009